ছোট কোন জনপদ, বা গ্রাম
তার থেকে গড়ে ওঠা স্কন্ধাবার।
সিংহ দ্বারের সামনে, ইন্দ্রকীলক
এর চারপাশে গড়ে উঠেছে মহাজনপদ, শহর, নগর।
কারোবা পাশে স্রোতস্বিনী, কার পাশে দিকচক্রবাল প্রসারী রত্নাকর।
কেউবা পুরানো, কেউ বা নতুন সাজে গড়ে ওঠা।
কেউ বা ধংসস্তুপে পরিণত ইতিহাস
বাতিক্রম ধংসস্তুপের পাশে গড়ে ওঠা চিরন্তনী
সে সাত পাহাড়ের রানী,
ক্যাপিটোলাইন আর প্যালাটাইন ঘেরা রোম,
টাইবারের জলে স্নিগ্ধ স্নাতা রোম,
মহান রোমক সাম্রাজ্যের প্রান স্পন্দিনী রোমা,
রেমিউলাস আর রোমাস ভ্রাতাদের গড়া স্বপ্ননগরী সে,
আজো বুকে সপ্তাশ্চর্য কলোসিয়াম নিয়ে দন্ডয়মান
তার কুঠরী তে কান পাতলে আজো শোনা যায় গ্লাডিয়েটর-এর রণধ্বনী,
কত পরাজিত হতভাগ্যের রক্ত চাপা আছে রণাঙ্গনের বালিতে
কিম্বা বৃষরাজের শিঙে ছিন্নভিন্ন দেহখন্ড পড়ে আছে পাথরের কোনায়,
কোন বিজেতা হয়তো বা উন্মত্ত জনতার হর্ষের পাত্র,
ঐ দেখা যায়, সীজ়ারের উপবেশন স্থল,
কত রক্ত, ঘাম, অশ্রু দ্বারা সিক্ত হয়ে আজো দন্ডয়মান সার্কাস ম্যাক্সিমাস।
যদি ফিরে চাও তাইবারের অন্য দিকে,
ঐ উঁচুতে উড়ছে এফিসাস এ ডায়ানার মন্দিরের পতাকা।
আজো কান পাতলে শুনবে ,
দগ্ধ নগরীর মানুষের আর্তনাদ ছাপিয়ে উঠছে নীরোর বেহালার ঝংকার।
কালের হুঙ্কার উপেক্ষা করে , দাঁড়িয়ে থাকা মর্মর সৌধ রোম
রোকা থেকে ইউফ্রেটিস, গল দেশ থেকে নীল নদের প্রান্তর বিস্তৃত রোম
অপরাজেয় রোম, অধরা রয়ে যাওয়া হানিবলের স্বপ্ন রোম
আর কার্থেজের ধংসকারী রোম।
নবোদিত ভ্যাটিক্যান সে,
ঐ দেখা যায় মাইকেল মর্মর পাথর কেটে তুলছে সৌন্দর্যপম সিস্টিন চ্যাপেল।
কিম্বা খোদাই করছেন পিয়েত্তা ।
সময়ের কাঠগড়া বেয়ে বয়ে চলা তাইবার আবার হয়েছে উজ্জীবিত
মাতসিনী, কাভ্যুর এর হাথ ধরে আবার রোম হয়ে উঠেছে ইতালির প্রান কেন্দ্র
ইতিকালের ভাঙা পাথর-এর টুকরোর পাশে গড়া হয়েছে নতুন অটোরুত
ইলড্যুচের সুখানিদ্রা বেয়ে এসেছে কালো শার্টের দল,
ফুতকারে ধুয়ে গেছে গনতন্ত্রী রোম
রাজাকে অতীত করে রোম হয়েছে একনায়ক
অ্যাক্সিস এর এক কীলক প্রোথিত হয়েছে ক্যাপিটল এর বুকে
তার গায়ে লেগে আছে শতসহস্র চাবুকের চিহ্ন
আর ক্লারা পেত্রাচীর চতুর দৃস্টি,
ভ্যালেরিও-র হাথে আবার মুক্তস্নাত হয়েছে রোম
অলিম্পিকের মশাল বেয়ে উঠেছে নতুন যুগে পদার্পন চিরন্তন নগরীর
সে সাত পাহাড়ের রাণী রোম,
টাইবার স্নাতা মর্মর স্নিগ্ধ রোম
রেমিউলাস এর রোম
প্লিবিয়ান এর রোম।।
তার থেকে গড়ে ওঠা স্কন্ধাবার।
সিংহ দ্বারের সামনে, ইন্দ্রকীলক
এর চারপাশে গড়ে উঠেছে মহাজনপদ, শহর, নগর।
কারোবা পাশে স্রোতস্বিনী, কার পাশে দিকচক্রবাল প্রসারী রত্নাকর।
কেউবা পুরানো, কেউ বা নতুন সাজে গড়ে ওঠা।
কেউ বা ধংসস্তুপে পরিণত ইতিহাস
বাতিক্রম ধংসস্তুপের পাশে গড়ে ওঠা চিরন্তনী
সে সাত পাহাড়ের রানী,
ক্যাপিটোলাইন আর প্যালাটাইন ঘেরা রোম,
টাইবারের জলে স্নিগ্ধ স্নাতা রোম,
মহান রোমক সাম্রাজ্যের প্রান স্পন্দিনী রোমা,
রেমিউলাস আর রোমাস ভ্রাতাদের গড়া স্বপ্ননগরী সে,
আজো বুকে সপ্তাশ্চর্য কলোসিয়াম নিয়ে দন্ডয়মান
তার কুঠরী তে কান পাতলে আজো শোনা যায় গ্লাডিয়েটর-এর রণধ্বনী,
কত পরাজিত হতভাগ্যের রক্ত চাপা আছে রণাঙ্গনের বালিতে
কিম্বা বৃষরাজের শিঙে ছিন্নভিন্ন দেহখন্ড পড়ে আছে পাথরের কোনায়,
কোন বিজেতা হয়তো বা উন্মত্ত জনতার হর্ষের পাত্র,
ঐ দেখা যায়, সীজ়ারের উপবেশন স্থল,
কত রক্ত, ঘাম, অশ্রু দ্বারা সিক্ত হয়ে আজো দন্ডয়মান সার্কাস ম্যাক্সিমাস।
যদি ফিরে চাও তাইবারের অন্য দিকে,
ঐ উঁচুতে উড়ছে এফিসাস এ ডায়ানার মন্দিরের পতাকা।
আজো কান পাতলে শুনবে ,
দগ্ধ নগরীর মানুষের আর্তনাদ ছাপিয়ে উঠছে নীরোর বেহালার ঝংকার।
কালের হুঙ্কার উপেক্ষা করে , দাঁড়িয়ে থাকা মর্মর সৌধ রোম
রোকা থেকে ইউফ্রেটিস, গল দেশ থেকে নীল নদের প্রান্তর বিস্তৃত রোম
অপরাজেয় রোম, অধরা রয়ে যাওয়া হানিবলের স্বপ্ন রোম
আর কার্থেজের ধংসকারী রোম।
নবোদিত ভ্যাটিক্যান সে,
ঐ দেখা যায় মাইকেল মর্মর পাথর কেটে তুলছে সৌন্দর্যপম সিস্টিন চ্যাপেল।
কিম্বা খোদাই করছেন পিয়েত্তা ।
সময়ের কাঠগড়া বেয়ে বয়ে চলা তাইবার আবার হয়েছে উজ্জীবিত
মাতসিনী, কাভ্যুর এর হাথ ধরে আবার রোম হয়ে উঠেছে ইতালির প্রান কেন্দ্র
ইতিকালের ভাঙা পাথর-এর টুকরোর পাশে গড়া হয়েছে নতুন অটোরুত
ইলড্যুচের সুখানিদ্রা বেয়ে এসেছে কালো শার্টের দল,
ফুতকারে ধুয়ে গেছে গনতন্ত্রী রোম
রাজাকে অতীত করে রোম হয়েছে একনায়ক
অ্যাক্সিস এর এক কীলক প্রোথিত হয়েছে ক্যাপিটল এর বুকে
তার গায়ে লেগে আছে শতসহস্র চাবুকের চিহ্ন
আর ক্লারা পেত্রাচীর চতুর দৃস্টি,
ভ্যালেরিও-র হাথে আবার মুক্তস্নাত হয়েছে রোম
অলিম্পিকের মশাল বেয়ে উঠেছে নতুন যুগে পদার্পন চিরন্তন নগরীর
সে সাত পাহাড়ের রাণী রোম,
টাইবার স্নাতা মর্মর স্নিগ্ধ রোম
রেমিউলাস এর রোম
প্লিবিয়ান এর রোম।।