Wednesday, September 15, 2010

মুক্তির প্রতিক্ষা

কান পেতে শোনো
মুক্তির প্রতিক্ষায় যন্ত্রণায় কাতর এই পৃথিবী।
গায়ে আধুনিকতার রঙ মেখে 
সভ্যতা আজ দাঁড়িয়েছে সং সেজে।
ভোগবাদ আর আত্মসর্বস্বতা--
   স্বার্থপরতা আর লোলুপতা
এগুলো নিছক শব্দ নয়, নয় শুধু সংবাদপত্রে ছাপার জন্য
এরা প্রবল পরাক্রান্ত, এরা মানবিকতার শৃঙ্খল।
এরা একএকজন কারাগারের গারদ 
আর হিংসা আর লালসা দুই প্রহরী।
নাগপাশে বদ্ধ সভ্যতা
মুক্ত বাতাস চায়, চায় অক্সিজেন।

ভয়ঙ্কর কাল লোমশ থাবায় বান্দী ময়ুখমালী,
বাতাসে বারুদের গন্ধ ,
অগণিত কৃমিকীটের ন্যায় কিলবিল করছে আবিলতা।
ঊষ্ণ অবিশ্বাস আর দম্ভের নিশ্বাস ছাড়ছে বন্দুকের নল।
সুন্দর গোলাপের পাপড়ি কাদায় পচে গেছে।
পাকেজিং এর আক্রমনে নারী, প্রেম, ভোট , মেধা।
সব নিতান্তই পণ্য মাত্র।
ধনতন্ত্রের রংচঙে ভাঁড় লাঠি হাথে সেজেছে আবিভাবক।
শাসন এবং শোষন দুই কারে সমান তালে।

প্রবল গ্রীষ্মের দবদাহে ঝলসে যাওয়া বাতাস
সুস্থ মানুষ চাতকের মত চেয়ে থাকে শান্তির প্রতিক্ষায়
স্বপ্ন দেখে নীলনবঘন গগনের
কঠোর মাটির বুকে নীল সমুদ্র আনতে চায় দুর্নিবার তারুণ্য
এর-ই মাঝে দেখো যদি ফুলের দোকানে 
মালাগুলো যেন সুতোর কঙ্কালে ঝোলে
সাদা আর হলুদ মাংস লাগি্যে
শুকনো ফুলের মালায়
সভ্যতাও তেমনি আজ শুষ্ক আস্থিসার।

হতাশ মনে জন্ম নেয় জবাবহীন শত প্রশ্নের
শিশুর মত নিষ্পাপ , স্নিগ্ধ প্রভাত কি আর দেখতে পাবো?
কবে দেখবো সেই শিশির স্নাত , রৌদ্র গলানো সুবাসিত ভোর।
স্বপ্ন ভঙ্গের পর জ্বলে ওঠে চোখ
প্রভাতের বাতাসে থেকে যায় বাসি রাতের উচ্ছিষ্ট লুন্ঠিত কলঙ্ক।

চোখের সামনে ভেসে ওঠে
শিশুর অবসাদ্গ্রস্ত মুখের ভাস্কর্য
অভুক্ত মুখের যন্ত্রনা
কেঁদে কেঁদে শুকিয়ে যাওয়া চোখের কোন
ফুটপাথে, ড্রেনের ধারে;
ইঁট পাথরের ফাঁকে কাঠকুঠুরীর আগুন জ্বেলেছে তার মা
আর দিদি গেছে বাবুর বাড়ি, নিজেকে পণ্য করে
নগ্ন ভুখা বালক চলেছে কেঁদে।

একটা ছোটো গপ্প বলা যাক,
সত্যি কথার গপ্প,
একবারটি চলে যাই যে কোনো শহরের
অনামী বস্তিতে
উঁকি মেরে দেখি ইঁট বের করা
পাল্লা ঝুলে পড়া কোনো জানালায়;

বাতায়ানে নীল আকাশের দিকে একদৃষ্টে
চেয়ে আছে সাকিনার আম্মি
তার দেহ ভেঙে পড়েছে, আরও ভেঙে পড়েছে মন।
ক্ষনে ক্ষনে চমকে ওঠে আম্মি,
আর্তনাদ করে কানে আঙুল চাপা দেয়
তার কানে বাজে গম্বুজ ভাঙ্গার শব্দ
উন্মাদ জনতার আক্রোশ ভরা ধর্মান্ধ স্লোগান।

দুচোখ দিয়ে ঢাকতে চেষ্টা করে বিভিষীকাময় সেই দিন।
একমাত্রা বেটা -----  সাহিল,
তাকে টেনে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে মেরেছে
ওপাড়া-র ভাঙ্গা বাড়িতে।
আর সাকিনা -- তার নিষ্পাপ ফুলের মত মেয়েটা,
কি দোষ ছিল তার? ... মেয়েহয়ে জন্মানো ?
তুলে নিয়ে গেছে তাকে,
হয়তো দেখা মিলবে কোনো ছোকরিগলিতে
বাবুর জন্য পশরা সাজিয়ে বসেছে আজ
বা হয়তো নেই।
আজও মনে পড়ে তার ডাক ... আম্মিগো বাঁচাও , আম্মি বাঁচাও

বাড়ির ভাঁড়ার ঘর রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল সেদিন সকালেই
অর্কপ্রভর রক্তে ---- সাকিনার পাতানো রাখী ভাই ছিল সে।
দাঙ্গা থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়েছিল সে ফুফার কাছে,
তার খুনের প্রতিশোধের আগুনে জ্বলে গেল নাজানি আরো কতো প্রাণ।
সাকিনার আম্মি ছটফট করে ওঠে,
থরথর করে কেঁপে ওঠে সাকিনার আম্মি।
মুখোষ লাগিয়ে মানুষের জঙ্গলে হারিয়ে গেছে মনুষ্যত্ব।

আকাশের দিকে তাকিয়ে
নাতুন রাঙা সুর্য দেখবে বলে
আজো যুগযুগান্ত ধরে অপেক্ষা করছে আনেক সাকিনার আম্মি।
এত অন্ধকারেও চোখ বুজে দেখার চেষ্টা--
অনাগাত সেই আলোকিত দিনগুলিকে ।
যবে নিশ্চিহ্ন হবে সহস্র বর্ষের
সীসার মত জমাট বাঁধা কালো পাহাড়।
এতো আঁধারেও আমরা এক চোখ স্বপ্ন নিইয়ে
একমুঠো আলোর প্রত্যাশী।
প্রত্যাশী ঋষির মত স্নিগ্ধ , শান্ত দিনের।

সেই প্রত্যাশাই বাঁচিয়ে রেখেছে নাতুন সমাজের বীজ
যখন দেখি ঠাকুমার কাছে কোল ঘেঁষে
কাচিকাচাঁরা পড়ছে ঠাকুমা'র ঝুলি।
যখন দেখি প্রবীন প্রাক্তনী আর বর্তমান ছাত্রের দল
এক সাথে করছে পুনর্মিলন উতসব।
যখন দেখি শ'শ' নগ্নপদ মানুষ মুষ্ঠি
আকাশের দিকে তুলে চলেছে
বিপ্লবের আগুনের খোঁজে;
যখন দেখি " নগর সাম্রাজ্যের ধংসস্তুপ'পরে
ওরা কাজ করে" চলেছে,
অন্তহীন কর্মমুখর জনতা।

তখন মনে হয় --
সভ্যতা, ঐক্য, মিলন , সংহতি, স্বাধীনতা, সাম্য
এসব শব্দ শুধু অভিধানে ছাপা অক্ষরমালা নয়,
ওদের দেহ সুর্যের আলো দিয়ে তৈরী।
উজ্জ্বল তারা নক্ষত্র-এর মত
আঁধারেও ... স্নিগ্ধা , পবিত্র চন্দ্রালোকের ন্যায়।
ওরা সবুজ ঘাষের দগায় জ্বলা মানিকের ছটা,
ভোর রাতে গাছে দেকে ওঠা দোয়েলের ভোরাই,
ওরা কাশবনে তিরতিরিয়ে বওয়া হাওয়া,
বা চঞ্চল চপল ঝর্ণা।
ওরাই আনবে নবদিগন্তে নবারুনের উন্মেষ।

সময় এর লুকোচুরি

সময়কে খুঁজেছি হাথ বাড়িয়ে,
পারিনি ধরতে, গিয়েছে হারিয়ে;
কোথায় হারিয়ে গেল জানিনা
আর খুঁজেকি তারে পাবো না।

দেখেছি তোমায় স্বপনে,
চেয়েছি তোমায় মনের গহনে;
ভেসেছি তোমার আকাশে,
ভরেছি সুবাস তোমার বাতাসে;
তুমি দেখতে পেলে না, নাকি দেখেও দেখো না;
ও প্রিয়া দেখোনা, দেখো না ।

তোমার চোখে দেখেছি এই পৃথিবী,
তখন মন যেন হয়েছিল রক্তকরবী;
জেলেছিলে আলো তুমি এই জীবনে
স্পন্দন হয়ে জ্বলেছিলে তুমি এই মনে;
তুমি শুনতে পেলে না, নাকি শুনেও শোনো না,
ও প্রিয়া শোনো না, শোনো না ।

Wednesday, August 25, 2010

অর্চিস্মান

Akasher moto baro hok tomar mon
dikchakrabaal pojonto bistrito hao tumi..
urddhakashe nibaat nirdhum niskampo shikhar moto jaluk atmo deep..
je deeper aloke annera pak ushnota, annera pak alo
jhar jhanjha bidyuter dapadapite-o tumi thako achanchal
megh kete jakhon boye jabe saroter batas ..
vije matir gandho uthbe jakhon akashe..
palash fuler tulo jakhon ure jabe characharer  pash die ..anno charer khoje
Takhon tumi habe agnivo ujjol, tumi habe Orchishman.


আকাশের মত বড় হোক তোমার মন 
দিকচক্রবাল পর্যন্ত বিস্তৃত হও তুমি
উর্ধাকাশে নিবাত নিষ্কম্প নির্ধুম শিখার মত জ্বলুক আত্মদীপ 
যে দীপের আলোকে অন্যেরা পাক উষ্ণতা , অন্যেরা পাক দৃষ্টি 
ঝর ঝঞ্ঝা বিদ্যুতের দাপাদাপিতে-ও তুমি থেকো অচঞ্চল 
মেঘ কেটে যখন বয়ে যাবে শরতের বাতাস
ভিজে মাটির গন্ধ উঠবে যখন আকাশে 
পলাশ ফুলের তুলো যখন উড়ে যাবে চরাচরের পাশ দিয়ে , অন্য চারের খোঁজে 
তখন তুমি হও অগ্নিভা উজ্জ্বল , তুমি হবে অর্চিস্মান।

Thursday, July 22, 2010

An Ode to Rome - সাত পাহাড়ের রাণী

ছোট কোন জনপদ, বা গ্রাম
তার থেকে গড়ে ওঠা স্কন্ধাবার।
সিংহ দ্বারের সামনে, ইন্দ্রকীলক
এর চারপাশে গড়ে উঠেছে মহাজনপদ, শহর, নগর।
কারোবা পাশে স্রোতস্বিনী, কার পাশে দিকচক্রবাল প্রসারী রত্নাকর।
কেউবা পুরানো, কেউ বা নতুন সাজে গড়ে ওঠা।
কেউ বা ধংসস্তুপে পরিণত ইতিহাস
বাতিক্রম ধংসস্তুপের পাশে গড়ে ওঠা চিরন্তনী
সে সাত পাহাড়ের রানী,
ক্যাপিটোলাইন আর প্যালাটাইন ঘেরা রোম,
টাইবারের জলে স্নিগ্ধ স্নাতা রোম,
মহান রোমক সাম্রাজ্যের প্রান স্পন্দিনী রোমা,
রেমিউলাস আর রোমাস ভ্রাতাদের গড়া স্বপ্ননগরী সে,
আজো বুকে সপ্তাশ্চর্য কলোসিয়াম নিয়ে দন্ডয়মান
তার কুঠরী তে কান পাতলে আজো শোনা যায় গ্লাডিয়েটর-এর রণধ্বনী,
কত পরাজিত হতভাগ্যের রক্ত চাপা আছে রণাঙ্গনের বালিতে
কিম্বা বৃষরাজের শিঙে ছিন্নভিন্ন দেহখন্ড পড়ে আছে পাথরের কোনায়,
কোন বিজেতা হয়তো বা উন্মত্ত জনতার হর্ষের পাত্র,
ঐ দেখা যায়, সীজ়ারের উপবেশন স্থল,
কত রক্ত, ঘাম, অশ্রু দ্বারা সিক্ত হয়ে আজো দন্ডয়মান সার্কাস ম্যাক্সিমাস।
যদি ফিরে চাও তাইবারের অন্য দিকে,
ঐ উঁচুতে উড়ছে এফিসাস এ ডায়ানার মন্দিরের পতাকা।

আজো কান পাতলে শুনবে ,
দগ্ধ নগরীর মানুষের আর্তনাদ ছাপিয়ে উঠছে নীরোর বেহালার ঝংকার।

কালের হুঙ্কার উপেক্ষা করে , দাঁড়িয়ে থাকা মর্মর সৌধ রোম
রোকা থেকে ইউফ্রেটিস, গল দেশ থেকে নীল নদের প্রান্তর বিস্তৃত রোম
অপরাজেয় রোম, অধরা রয়ে যাওয়া হানিবলের স্বপ্ন রোম
আর কার্থেজের ধংসকারী রোম।

নবোদিত ভ্যাটিক্যান সে,
ঐ দেখা যায় মাইকেল মর্মর পাথর কেটে তুলছে সৌন্দর্যপম সিস্টিন চ্যাপেল।
কিম্বা খোদাই করছেন পিয়েত্তা ।
সময়ের কাঠগড়া বেয়ে বয়ে চলা তাইবার আবার হয়েছে উজ্জীবিত
মাতসিনী, কাভ্যুর এর হাথ ধরে আবার রোম হয়ে উঠেছে ইতালির প্রান কেন্দ্র
ইতিকালের ভাঙা পাথর-এর টুকরোর পাশে গড়া হয়েছে নতুন অটোরুত
ইলড্যুচের সুখানিদ্রা বেয়ে এসেছে কালো শার্টের দল,
ফুতকারে ধুয়ে গেছে গনতন্ত্রী রোম
রাজাকে অতীত করে রোম হয়েছে একনায়ক
অ্যাক্সিস এর এক কীলক প্রোথিত হয়েছে ক্যাপিটল এর বুকে
তার গায়ে লেগে আছে শতসহস্র চাবুকের চিহ্ন
আর ক্লারা পেত্রাচীর চতুর দৃস্টি,
ভ্যালেরিও-র হাথে আবার মুক্তস্নাত হয়েছে রোম
অলিম্পিকের মশাল বেয়ে উঠেছে নতুন যুগে পদার্পন চিরন্তন নগরীর
সে সাত পাহাড়ের রাণী রোম,
টাইবার স্নাতা মর্মর স্নিগ্ধ রোম
রেমিউলাস এর রোম
প্লিবিয়ান এর রোম।।

Saturday, July 17, 2010

প্রবাসী মন

বন্ধু ক্ষমা কোরো আমায়,
তোমার চিঠির সাড়া দিতে পারিনি সময়ে;
বিদায় বেলায় করেছি উপেক্ষা তোমায়,
এসেছিলো দূরে যাবার ডাক,
তবু মনে রেখো, চিঠি লিখো,
অনুরোধ এইটুকু থাক।

মনে আজ সংসয়, বড়ো দেরি হয়ে গেল কি আজ,
তুমি কি মেনে নেবে আমার এ অপরাধ,
কিভাবে বোঝাই তোমায়,
বিদায় বেলায় ছিল না সময়।
ছিল ব্যস্ততা , ছিল ছুটে চলার ছল।
আজ মনে বিস্তর ব্যবধান
তাই নেমেছে মনে স্মৃতি ঘেরা বন্যার ঢল ।

দূর দেশে, নির্জন পরবাসে ,
নেই কেউ, কোনো আপনজন,
একাকী আজ, সম্বল স্মৃতিটুকু।
হয়ত আছে আজ জীবনের সব উপাদান,
তবু পারছি কি ভুলতে তোমার কথা?
পারছি কি ভুলতে তোমার সাথে গাওয়া গান।

বন্ধু, দৃস্টি থেকে দূরে,
মানে কি মনের বাইরে যেতে হয়,
একাথা বোলোনা করতে বিশ্বাস;
আমরা আছি থাকবো হৃদয়ে,
রেখ এই ভরসা আশ্বাস।

তাই শুধু অনুরোধ রেখে যাই
উপেক্ষা কোরোনা বন্ধুত্বের চাওয়া পাওয়া,
উপেক্ষা কোরোনা আমার আহ্বান।
সারা দিও , বাড়িও তোমার হাথ,
জেনো আজো মনে মোনে গাই তোমার-ই গান।

আবার হবে তো দেখা
আবার হাথে হাথ দিয়ে
মনের সাথে প্রান মিশিয়ে
হবে তো আবার গল্পো লেখা?

এই প্রশ্ন নিয়ে ভাসিয়ে দিলাম এই চিঠি,
উড়ে যাক, ভেসে যাক চিঠিখানা
যেখানে আছো তূমি, খুঁজে নেবে তোমার ঠিকানা
নদীর স্রোতে, ক্ষেতের হাওয়ায়,
অভ্রবাসী মেঘের কোনায় কোনায়
রেখে গেলাম আমার এই শব্দজাল
জেনো, আমি তোমারি ছিলাম, আজো আছি, থাকবো চিরকাল।

বিদায়, বন্ধু বিদায়

Biday O Bondhu Biday !!
Pather sathee biday
Biday O Bondhu Biday !!
Pather sathee biday
 
Gunjane ,
Moner kone angane
Smriti ghera ebandhane
Sudhu e chhute berai
 
Durdese,
Nirjon parobas e
Sathee hara se akase
Ure chali kiser Nesay ..
 
Bondhu .. pather banke habe to dekha
Klanto chalar pathe roibo ki eka ?
Biday , Biday , Biday , Biday
 
Ranjane,
Se katha moner kone
Tomar-e  gaan sinjane
Vese uthe sur sadai
 
Bathay
Bhara ei bedonay ,
Moner ei Mohonay ,
Jano fire asi sabai
 
Bondhu ,, moner sathe pran misiye
habe to abar gara swapno sajie ?
Biday , mita biday , biday , biday .
 
Biday O Bondhu Biday !!
Pather sathee biday
Biday O Bondhu Biday !!
Pather sathee biday

শারদো পরশে

ঝরা শিউলির পাতায়                     তোমার নীল কবিতায় 
মাঠে কাশ দোলায়                         সাদা মেঘের মেলায়
              মন হারায়, গান হারায়, প্রান হারায় ।

ঝরঝরো বরষায়                          ঘন নীল নীলিমায়
তিরতর বাতাসে                           শারদো পরশে
                এই প্রাতে, মন হাসে, প্রান হাসে ।